আজ-  ,
basic-bank
পরীক্ষামূলক প্রকাশনা
basic-bank
সংবাদ শিরোনাম :

জিয়ার কবর সরানোর প্রসঙ্গ এড়িয়ে গেলেন প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় সংসদ ভবনের মূল নকশা আনার পর বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবর সরানো হবে কি না- এমন প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে গেলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি কোনো কথা বলতে চাই না।’

হাঙ্গেরি সফর শেষে দেশে প্রধানমন্ত্রীর ডাকা সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্য অনেক বিষয়ের মধ্যে সংসদ ভবনের মূল নকশা আনার প্রসঙ্গও উঠে আসে।

জাতীয় সংসদ ভবনের মূল নকশায় এই এলাকায় কোনো কবর থাকার কথা ছিল না। ১৯৮১ সালে জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামে নিহত হওয়ার পর তাকে সেখানেই সমাহিত করা হয়। পরে দেহাবশেষ তুলে এনে চন্দ্রিমা উদ্যানে সমাহিত করা হয়।

নানা সময় মন্ত্রীরা জিয়াউর রহমানের কবর সরিয়ে নেয়ার কথা বলেছেন। এ বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত আটকে ছিল লুই আই কানের মূল নকশা না থাকায়। তবে গত বৃহস্পতিবার এই নকশা দেশে এসেছে।

সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিক জানতে চান, এখন জিয়াউর রহমানের কবর সরানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে কি না। তবে এই প্রশ্নের কোনো জবাব দেননি প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি কিছু বলতে চাই না। তবে এই নকশার বিষয়ে অনেকেই জানতে চায়, তাই আমরা তা প্রদর্শনীর ব্যবস্থাও করবো, এছাড়াও এই নকশাটা ডিজিটাল মাধ্যমে প্রদর্শনের পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, লুই আই কানের নকশায় সংসদ ভবনের পাশে সচিবালয় এবং একটি মিলনায়তন করার কথা ছিল। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলনকেন্দ্রের স্থলেই এই মিলনায়তন করার কথা ছিল।

লুই আই কানের নকশাতেই স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের বাড়ির জন্য প্লট রাখা ছিল জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নকশা মেনেই এই বাড়ি করা হয়েছে। এ নিয়ে আন্দোলনকারীদের মধ্যে তথ্যের অভাব রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘১৯৯৬ সালে আমরা যখন ক্ষমতায় আসি তখন স্পিকারের বাড়ি তৈরি নিয়ে হইচই শুরু হয়। এরপর নকশা দেখেই স্পিকারের বাড়ি তৈরি করা হয়।’ তিনি বলেন, ‘দুঃখের বিষয় যখনই স্পিকারের বাড়ি তৈরি করতে গেলাম তখনই বলা হল আমরা নাকি নকশা নষ্ট করে ফেলছি। কিন্তু যাদের মূল নকশা নিয়ে কোন ধারণাই নেই তারা এ কথা বলছে। আসল কথা স্পিকার এবং ডেপুটি স্পিকারের বাড়ি নকশা মেনে নির্ধারিত প্লটেই করা হয়েছে।’